যে শিশুটির মুখ দেখার অপেক্ষায় তিনি আছেন, তার জন্য একটা কাঁথা কিনতে চান।
মনের কাজ, মনের মাপে কাজ
মনের কাজ একটি সামগ্রিক, সমন্বিত কার্যক্রম। এখানে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও নিউরোডাইভার্জেন্ট মানুষ দক্ষতা শেখেন, নিজের হাতে পণ্য তৈরি করেন, আর অনলাইনে ও সরাসরি সেগুলো তুলে ধরেন ও বিক্রি করেন। তাঁদের ঘিরে চিকিৎসক, গবেষক, ডিজাইনার ও অ্যাক্টিভিস্টরা শেখেন, সৃজনশীল কাজ কীভাবে মন সারিয়ে তোলে, ঐতিহ্য রক্ষা করে, জলবায়ুর কথা বলে আর ভিন্নতাকে সমাজের দেখার চোখ বদলে দেয়।
কেন আমরা আছি
সারা বিশ্বে গুরুতর মানসিক রোগ ও নিউরোডেভেলপমেন্টাল অবস্থা নিয়ে বেঁচে থাকা লাখো মানুষ কাজের সুযোগ থেকে বাদ পড়েন। বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগা বেশিরভাগ মানুষ কখনো চিকিৎসা পর্যন্ত পৌঁছান না, আর যাঁরা পৌঁছান, তাঁরাও প্রায়ই ফেরেন এমন এক শ্রমবাজারে, যেখানে তাঁদের জন্য কোনো জায়গা নেই। নিয়োগকর্তারা দ্বিধা করেন, প্রতিবেশীরা কানাকানি করেন, পরিবারও প্রত্যাশা কমিয়ে ফেলে। বাধাটা সাধারণত সামর্থ্যের নয়, মানিয়ে নেওয়ার: অনমনীয় কর্মক্ষেত্র, কোনো সুবিধা-সমন্বয় নেই, আর কাজ শুরুর পর কোনো সহায়তাও নেই।
মনের কাজ ক্লিনিক্যাল সুস্থতা আর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণের মাঝের ফাঁকটা পূরণ করে, যাতে সুস্থ হওয়া মানে আয় করা, সৃষ্টি করা আর সমাজে নিজের জায়গা পাওয়াও হয়।
কড়াইল, ঢাকা
মানুষ যেখানে থাকেন, আমরা সেখানেই কাজ করি। আমাদের প্রথম মনের ঘর হাব ঢাকার সবচেয়ে বড় অনানুষ্ঠানিক বসতিগুলোর একটির ভেতরে, তাই কাজে আসা মানে অল্প একটু হাঁটা পথ, কোনো বাধা নয়।
যেভাবে শুরু
এক দশকেরও বেশি সময় মনোরোগ চিকিৎসা করতে গিয়ে ডা. তানজীর রশিদ সরন একই ছবি বারবার দেখেছেন। চিকিৎসায় রোগীরা ভালো হয়ে উঠতেন, তারপর ফিরে যেতেন এমন সমাজে, যেখানে তাঁদের জন্য কোনো কাজ ছিল না। আয় না থাকায় অনেকে নিজের পরিবারেই মর্যাদা আর কথা বলার জায়গা হারিয়ে ফেলতেন।
তাঁদের অনেকের হাতে আগে থেকেই বিক্রিযোগ্য দক্ষতা ছিল, যেমন দর্জির কাজ, সেলাই আর পুঁতির কাজ। অভাব ছিল এমন এক কর্মক্ষেত্রের, যা তাঁদের সাথে মানিয়ে নেয়, আর এমন এক সমাজের, যা তাঁদের রোগী নয়, অবদানকারী হিসেবে দেখতে প্রস্তুত।
মনের কাজ গড়ে উঠেছে এই দুটোই দিতে: এমন একটি পরিবেশ, যেখানে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মানুষ নিজের স্বাস্থ্যের সাথে মানানসই গতিতে শেখেন, তৈরি করেন ও আয় করেন; আর চোখে দেখা যায় এমন সৃজনশীল কাজ, যা পরিবার ও প্রতিবেশীদের দেখার চোখ বদলে দেয়।
“কর্মসংস্থান কেবল আয় নয়। এটি মর্যাদার পথ, সমাজে নিজের জায়গা পাওয়ার পথ, দীর্ঘস্থায়ী সুস্থতার পথ।”
ডা. তানজীর রশিদ সরন, প্রতিষ্ঠাতা
আমাদের পদ্ধতি
মনের কাজ এমন এক দীর্ঘদিনের সংকট মোকাবিলা করে, যা বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষকে ছুঁয়ে যায়: গুরুতর মানসিক রোগ (SMI) ও নিউরোডেভেলপমেন্টাল অবস্থা (NDD) নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষদের কাজ আর সমাজজীবন থেকে বাদ পড়া। আমরা সৃজনশীল দক্ষতা উন্নয়ন, স্থানীয় উৎপাদন আর বাজারে প্রবেশাধিকারকে এক সূত্রে গেঁথে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিতে সহায়তা করি, ছয়টি পরস্পর-পরিপূরক উপাদানের মাধ্যমে।
কারুশিল্প, নকশা ও সেবার দক্ষতা, ছোট দলে, প্রত্যেকের নিজের গতিতে শেখানো।
হাতে তৈরি পণ্য, যাতে থাকে কারিগরের নিজের সংস্কৃতি, গল্প আর নাম।
পণ্য ও সেবা অনলাইনে, প্রদর্শনীতে আর স্থানীয় বাজারে তুলে ধরা ও বিক্রি করা।
আয়, স্বীকৃতি আর অধিকার, যা ঘরে ও সমাজে মানুষটির জায়গা বদলে দেয়।
সংখ্যাগুলো নিচের ছয়টি উপাদানের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
আমরা বিশেষায়িত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে স্থানীয় উৎপাদন হাবের একটি নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করি। হাবগুলোতে থাকে হাতে-কলমে শেখা, পণ্য উন্নয়ন ও সেবা দেওয়ার জায়গা, আর প্ল্যাটফর্মগুলো কারিগরদের পাড়ার বাইরের প্রশিক্ষণ, অর্ডার ও ক্রেতার সাথে যুক্ত করে।
আমরা প্রশিক্ষণকে সরাসরি দক্ষতা কাজে লাগানো, পণ্য তৈরি ও সেবা দেওয়ার সুযোগের সাথে যুক্ত করি। অংশগ্রহণকারীরা অনলাইন ও অফলাইন দুই মাধ্যমেই পণ্য বিক্রি করেন ও সেবা দেন, তাই শেখা সোজা গিয়ে পৌঁছায় বাজারে আর আয়ে।
আমরা এমন দক্ষতা-উন্নয়ন কোর্স তৈরি করছি, যা সাংস্কৃতিক প্রকাশকে পণ্য উন্নয়ন এবং অনলাইন ও অফলাইন বিক্রির সাথে যুক্ত করে। পাশাপাশি ক্লিনিক্যাল উন্নতি, মনোসামাজিক বিকাশ ও জীবনমান বাড়াতে কাঠামোবদ্ধ সৃজনশীল-শিল্প হস্তক্ষেপও নকশা করছি।
সৃজনশীল কাজে অংশ নেওয়ার সাথে ক্লিনিক্যাল ফলাফল, সামাজিক অংশগ্রহণ ও অর্থনৈতিক সুস্থতার সম্পর্ক কী, তা আমরা তিনটি স্তরে খতিয়ে দেখি: ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সমাজ।
SMI ও NDD নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষদের সক্ষমতা ও কাজের যোগ্যতাকে সমাজ, পরিবার ও নিয়োগকর্তারা কীভাবে দেখেন, আর তাঁদের কাজ চোখে দেখার পর সেই মনোভাব কীভাবে বদলায়, আমরা তা খতিয়ে দেখি।
নকশি কাঁথা, সেলাই ও পুঁতির কাজসহ সংস্কৃতির সাথে মানানসই শেখা ও সৃজনশীল উৎপাদনের মাধ্যমে আমরা স্থানীয় সৃজনশীল ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করি। অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি আর সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা একসাথে এগোয়।
যেখানে কাজ হয়
আমরা কাজ করি জলবায়ু-সহনশীল, সংস্কৃতিতে প্রোথিত কেন্দ্রের মাধ্যমে, যার নাম মনের ঘর। মানুষকে অনমনীয়, নিউরোটিপিক্যাল করপোরেট পরিবেশে জোর করে মানিয়ে নিতে বাধ্য না করে আমরা "আগে কাজ, সাথে প্রশিক্ষণ" (place-and-train) পদ্ধতিতে সহায়তাপূর্ণ কর্মসংস্থান দিই, সাথে থাকে সৃজনশীল থেরাপি আর সমাজে মিশে যাওয়ার সুযোগ।
| প্রচলিত: আগে প্রশিক্ষণ, পরে কাজ | মনের কাজ: আগে কাজ, সাথে প্রশিক্ষণ | |
|---|---|---|
| শুরুটা | আসল কাজের আগে দীর্ঘ প্রাক-বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ | মানুষ হাবে যোগ দেন আর শুরুতেই আসল, পারিশ্রমিকের কাজে হাত দেন |
| কর্মক্ষেত্র | মানুষকেই অনমনীয়, নিউরোটিপিক্যাল পরিবেশে মানিয়ে নিতে হয় | কাজ, সময় আর পরিবেশ মানুষের সাথে মানিয়ে নেয় |
| সহায়তা | কাজে বসিয়ে দেওয়ার সাথে সাথেই শেষ | কাজের মধ্যেও চলতে থাকে, ক্লিনিক্যাল সেবা আর সৃজনশীল থেরাপিসহ |
| সমাজ | কাজ হয় পরিবার আর প্রতিবেশীদের চোখের আড়ালে | পরিবার আর প্রতিবেশীরা কাজটা দেখেন, দেখেন কারিগরের দক্ষতাও |
বাড়ির কাছের মনের ঘর হাবে যোগ দেওয়া, আর শুরু থেকেই আসল উৎপাদনে হাত লাগানো।
কাজের মধ্যেই ছোট দলে, প্রত্যেকের স্বাস্থ্যের সাথে মানানসই গতিতে কারুশিল্প ও সেবার দক্ষতা গড়ে তোলা।
নিয়মিত ক্লিনিক্যাল সেবা, সৃজনশীল-শিল্প থেরাপি আর সহকর্মীদের সহায়তা, যাতে কঠিন সময়েও কাজ টিকে থাকে।
অনলাইন ও অফলাইনে পণ্য ও সেবা বিক্রি, ন্যায্য আয়, আর সমাজে সম্মানের জায়গা।
একটি যৌথ শেখার ল্যাব
মনের কাজ এমন সব বিষয়ের মিলনস্থলও, যারা সচরাচর একসাথে কাজ করে না। চিকিৎসক, গবেষক, থেরাপিস্ট, সমাজবিজ্ঞানী, পরিবেশবিদ, ডিজাইনার ও অ্যাক্টিভিস্টরা কারিগরদের পাশে কাজ করেন, তাঁদের কাছ থেকে শেখেন, আর মিলে সৃজনশীল শিল্পকে মানসিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য স্থানীয় প্রেক্ষাপটে মানানসই হস্তক্ষেপ হিসেবে গড়ে তোলেন।
অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কারিগরেরা
নিজের জীবন, কারুকাজ আর সমাজের বিশেষজ্ঞ, এবং প্রতিটি হস্তক্ষেপের সহ-নির্মাতা
সংস্কৃতি, পরিবেশ ও জলবায়ু
নকশি কাঁথা বরাবরই গল্প বলার শিল্প: নারীরা নিজেদের জীবন কাপড়ে সেলাই করে রাখতেন। মনের কাজে কারিগরেরা এই ঐতিহ্য দিয়েই নিজেদের গল্প বলেন, সেই বন্যা, ঘূর্ণিঝড় আর নদীভাঙনের গল্প, যা ঘরবাড়ি আর জীবিকা ভেঙে দিয়েছে। প্রতিটি কাজ একসাথে একটি পণ্য, একটি দলিল, আর একটি নীরব প্রতিবাদ।
আমাদের পথচলা
আমরা কোনো তৈরি পরিকল্পনা নিয়ে শুরু করিনি। শুরু করেছিলাম তাঁদের কাছাকাছি থেকে, যাঁদের জন্য এই কাজ, আর প্রতিটি ধাপ গড়েছি তাঁদের কথা শুনে।
আমরা প্রথম ফিল্ড অফিস খুলি কড়াইলে, ঢাকার সবচেয়ে বড় অনানুষ্ঠানিক বসতিগুলোর একটিতে, যাতে কাজে আসতে কখনো দূরের বা খরুচে পথ পাড়ি দিতে না হয়।
কিছু নকশা করার আগে আমরা ভবিষ্যৎ কারিগর আর তাঁদের পরিবারের সাথে বসেছি। কোন সময়টা তাঁদের সুবিধার? কোন কাজ তাঁরা আগে থেকেই জানেন? কোন জিনিস একটা দিনকে কঠিন করে তোলে? আমাদের অনুমান নয়, তাঁদের উত্তরই ঠিক করেছে নকশা।
সেই আলাপ থেকেই তৈরি হলো আমাদের প্রশিক্ষণের ধরন: ছোট দলে, নিজের গতিতে শেখা, আর কঠিন দিনগুলোতে পাশে সবসময় সহায়তা।
কারিগরেরা প্রশিক্ষকের কাছে আর একে অপরের কাছে শিখেছেন পুঁতির কাজ, গয়না তৈরি আর সেলাই। দক্ষতার সাথে সাথে বেড়েছে আত্মবিশ্বাসও।
প্রস্তুত হওয়ার পর প্রত্যেক কারিগর নিজের অর্ডার নিলেন। প্রথম মালা, চুড়ি আর সেলাইয়ের কাজ বিক্রি শুরু হলো, আর প্রত্যেক কারিগর নিজের তৈরি কাজের পারিশ্রমিক পেলেন।
বাংলা বছরের প্রথম দিনে আমরা মনের কাজ সবার জন্য খুলে দিই। ঘরজুড়ে ছিল কারিগরদের নকশি কাঁথা, শাড়ি আর গয়না।
সারা দেশ থেকে বিশিষ্ট মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীরা এসেছিলেন। তাঁরা কারিগরদের সাথে দেখা করেছেন, মন দিয়ে তাঁদের কাজ দেখেছেন, আর আলোচনা করেছেন এই মডেল কীভাবে অন্য জনপদেও ছড়িয়ে দেওয়া যায়।
যা আমাদের পথ দেখায়
প্রত্যেক কারিগর একজন কর্মী ও অবদানকারী, কখনোই একটি "কেস" নন। আমরা মানুষকে নাম ধরে চিনি, রোগনির্ণয় ধরে নয়।
কাজ, আয়, নিরাপত্তা আর নিজের কথা বলার সুযোগ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও নিউরোডাইভার্জেন্ট মানুষদের মানবাধিকার, কোনো অনুগ্রহ নয়।
কাজের সময় থেকে পণ্যের ধরন, প্রতিটি সিদ্ধান্তে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মানুষের হাত থাকে। তাঁদের ছাড়া তাঁদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয় না।
আমরা কাজ, সময় আর পরিবেশ মানুষের মাপে সাজাই, যাতে ভিন্ন ভিন্ন মন নিজের মতো করে ভালো করতে পারে।
মানুষ যে কারুকাজ, গল্প আর ঐতিহ্য আগে থেকেই বহন করেন, আমরা তার ওপরই গড়ি, আর বাজারে সেগুলোকে সম্পদ হিসেবে দেখি।
প্রতিটি কাজে কত আয় হয়, কারিগরেরা তা জানেন, আর নিজের তৈরি কাজের পারিশ্রমিক পান।
মানুষের জীবনে কী বদলায়, আমরা তা মাপি, আর যা শিখি তা প্রকাশ করি, যা কাজ করে না তা-ও।
গবেষণার এজেন্ডা
প্রতিটি হাব একটি জীবন্ত গবেষণাগারও। কার্যক্রম গড়ার সাথে সাথেই আমরা তা নিয়ে গবেষণা করি, যাতে কড়াইলে যা শিখি, তা অন্য জায়গার ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য কাজের ধরন ও নীতি গড়তে কাজে লাগে।
স্থানীয় প্রেক্ষাপটে মিলে গড়া সৃজনশীল-শিল্প হস্তক্ষেপ কীভাবে SMI ও NDD নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষদের ক্লিনিক্যাল ফলাফল, মনোসামাজিক কর্মক্ষমতা ও জীবনমান উন্নত করতে পারে?
অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কারিগরেরা কীভাবে নিজেদের কারুকাজ দিয়ে পরিবেশ রক্ষা আর স্থানীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করতে পারেন?
জলবায়ু দুর্যোগের ব্যক্তিগত গল্প তুলে ধরা হস্তশিল্প কীভাবে জলবায়ু ন্যায়বিচারের পক্ষে সাক্ষ্য, প্রচারণা ও প্রতিবাদ হয়ে উঠতে পারে?
অতিদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী, যাঁদের অনেকের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সীমিত বা বোধগত সমস্যা আছে, তাঁদের নিয়ে গড়া উদ্যোগ কি নিজের খরচ নিজে চালাতে পারে? আর একজন মানুষকে টেকসই কাজে রাখতে খরচ কত?
গুরুতর মানসিক রোগ ও নিউরোডাইভার্জেন্স নিয়ে সমাজের ধারণা কীভাবে বদলায়, আর তাতে কর্মসংস্থান, মানবাধিকার ও মর্যাদায় কী পরিবর্তন আসে?
সীমিত শিক্ষা বা বোধগত সক্ষমতার মানুষ কীভাবে এআই টুল ব্যবহার করেন, কোথায় তাঁরা শোষণ বা ক্ষতিকর প্রভাবের ঝুঁকিতে পড়েন, আর কোন সুরক্ষা তাঁদের রক্ষা করে?
আমরা প্রত্যেক মানুষের, প্রতিষ্ঠানের আর বৃহত্তর সমাজের ক্লিনিক্যাল, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন খেয়াল রাখি।
আমাদের প্রধান ফলাফল: অংশগ্রহণকারীদের কত অংশ প্রতি বারো মাসের অন্তত ছয় মাস নিজের কাজ থেকে আয় করছেন। সব গবেষণা হয় অবহিত সম্মতি ও যথাযথ নৈতিক পর্যালোচনার মাধ্যমে। আরও জানতে দেখুন আমাদের গবেষণা পাতা।
আমাদের দল
বাংলাদেশে ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে চর্চারত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, ডিজিটাল স্বাস্থ্য গবেষক ও ইমপ্লিমেন্টেশন বিজ্ঞানী। টেলিসাইকিয়াট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক (TRIN) ও নাইহেলথের প্রতিষ্ঠাতা, এবং ই-মেন্টাল হেলথে কমনওয়েলথ স্কলার।
ক্লিনিক্যাল তত্ত্বাবধান ও সেবা পরিকল্পনা
থেরাপি ও প্রতিদিনের সহায়তা
সমাজে সম্পৃক্ততা ও মূল্যায়ন
ডিজিটাল টুল, প্রশিক্ষণ ও অনলাইন শপ
নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে গয়না তৈরি ও নানা হাতের কাজ শেখান
প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা
মনের কাজ নাইহেলথ লিমিটেডের একটি সহপ্রতিষ্ঠান। নাইহেলথ বাংলাদেশের একটি স্বাস্থ্য-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, যারা মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও ভালো ও সহজলভ্য করতে কাজ করে। দায়িত্বশীলভাবে চলা আর দীর্ঘদিন টিকে থাকার জন্য দরকারি ক্লিনিক্যাল, প্রযুক্তিগত ও পরিচালনাগত ভিত্তি মনের কাজ পায় নাইহেলথ থেকে।
মনের কাজ ঘুরে দেখুন
যুক্ত হন
বাজার, ক্লিনিক, বিশ্ববিদ্যালয়, ডিজাইন স্টুডিও আর নানা আন্দোলনের সাথে অংশীদারির মধ্য দিয়েই মনের কাজ বেড়ে ওঠে।
খুচরা বিক্রি, উপহার বা করপোরেট অর্ডারের জন্য হাতে তৈরি পণ্য নিন, অথবা আপনার কর্মক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ তৈরি করুন।
অর্ডার নিয়ে কথা বলুনচিকিৎসক, থেরাপিস্ট, সমাজবিজ্ঞানী, পরিবেশবিদ, ডিজাইনার ও অ্যাক্টিভিস্ট: শেখার ল্যাবে যোগ দিন, কারিগরদের সাথে মিলে হস্তক্ষেপ গড়ে তুলুন।
শেখার ল্যাবে যোগ দিননতুন মনের ঘর হাব, গবেষণা আর জলবায়ুর গল্প বলায় সহায়তা করুন, আর অন্তর্ভুক্তির একটি টেকসই মডেল প্রমাণে সাহায্য করুন।
আলাপ শুরু করুনপ্রশিক্ষক বা মেন্টর হিসেবে সময় দিন, অথবা জেনে নিন পরিবারের কেউ কীভাবে হাবে যোগ দিতে পারেন।
মনের কাজে যোগ দিন