ভাষা

মনের কাজ, মনের মাপে কাজ

কাজ মানিয়ে নেবে মনের সাথে, মন কাজের সাথে নয়।

মনের কাজ একটি সামগ্রিক, সমন্বিত কার্যক্রম। এখানে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও নিউরোডাইভার্জেন্ট মানুষ দক্ষতা শেখেন, নিজের হাতে পণ্য তৈরি করেন, আর অনলাইনে ও সরাসরি সেগুলো তুলে ধরেন ও বিক্রি করেন। তাঁদের ঘিরে চিকিৎসক, গবেষক, ডিজাইনার ও অ্যাক্টিভিস্টরা শেখেন, সৃজনশীল কাজ কীভাবে মন সারিয়ে তোলে, ঐতিহ্য রক্ষা করে, জলবায়ুর কথা বলে আর ভিন্নতাকে সমাজের দেখার চোখ বদলে দেয়।

কড়াইল হাবের মেঝেতে একসাথে বসে পুঁতি আর সেলাইয়ের কাজ করছেন কারিগরেরা
ঢাকার কড়াইল হাবে কারিগরেরা
আমরা কাদের পাশে
গুরুতর মানসিক রোগ (SMI) ও নিউরোডেভেলপমেন্টাল অবস্থা (NDD) নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষ
কার্যক্রম
শেখা, তৈরি করা, তুলে ধরা, সাথে সৃজনশীল থেরাপি ও গবেষণা
যাত্রা শুরু
১৪ এপ্রিল ২০২৬, পহেলা বৈশাখ
প্রথম মনের ঘর হাব
কড়াইল, বনানী, ঢাকা

কেন আমরা আছি

চিকিৎসা মানুষকে সুস্থ করে। কাজ তাঁদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

সারা বিশ্বে গুরুতর মানসিক রোগ ও নিউরোডেভেলপমেন্টাল অবস্থা নিয়ে বেঁচে থাকা লাখো মানুষ কাজের সুযোগ থেকে বাদ পড়েন। বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগা বেশিরভাগ মানুষ কখনো চিকিৎসা পর্যন্ত পৌঁছান না, আর যাঁরা পৌঁছান, তাঁরাও প্রায়ই ফেরেন এমন এক শ্রমবাজারে, যেখানে তাঁদের জন্য কোনো জায়গা নেই। নিয়োগকর্তারা দ্বিধা করেন, প্রতিবেশীরা কানাকানি করেন, পরিবারও প্রত্যাশা কমিয়ে ফেলে। বাধাটা সাধারণত সামর্থ্যের নয়, মানিয়ে নেওয়ার: অনমনীয় কর্মক্ষেত্র, কোনো সুবিধা-সমন্বয় নেই, আর কাজ শুরুর পর কোনো সহায়তাও নেই।

মনের কাজ ক্লিনিক্যাল সুস্থতা আর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণের মাঝের ফাঁকটা পূরণ করে, যাতে সুস্থ হওয়া মানে আয় করা, সৃষ্টি করা আর সমাজে নিজের জায়গা পাওয়াও হয়।

  • ১৬.৮% প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি কোনো না কোনো মানসিক রোগ নিয়ে বেঁচে আছেন।জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ ২০১৯
  • ৯২% তাঁদের মধ্যে কোনো চিকিৎসাই পান না।জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ ২০১৯
  • ~৮৫% বাংলাদেশের কাজ অনানুষ্ঠানিক, যেখানে চুক্তি, সুবিধা-সমন্বয় বা চাকরির সুরক্ষা নেই।শ্রমশক্তি জরিপ ২০২২
৯২ জন কোনো চিকিৎসা পান না ৮ জন চিকিৎসা পান
মানুষ, দোকান আর মালবোঝাই ভ্যানে ভরা ঢাকার এক ব্যস্ত গলি

কড়াইল, ঢাকা

মানুষ যেখানে থাকেন, আমরা সেখানেই কাজ করি। আমাদের প্রথম মনের ঘর হাব ঢাকার সবচেয়ে বড় অনানুষ্ঠানিক বসতিগুলোর একটির ভেতরে, তাই কাজে আসা মানে অল্প একটু হাঁটা পথ, কোনো বাধা নয়।

কারিগরদের তৈরি গয়না সামনে নিয়ে টেবিলে বসে ডা. তানজীর রশিদ সরন
ডা. তানজীর রশিদ সরন, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠাতা

যেভাবে শুরু

চেম্বার থেকে দেখা এক শূন্যতা

এক দশকেরও বেশি সময় মনোরোগ চিকিৎসা করতে গিয়ে ডা. তানজীর রশিদ সরন একই ছবি বারবার দেখেছেন। চিকিৎসায় রোগীরা ভালো হয়ে উঠতেন, তারপর ফিরে যেতেন এমন সমাজে, যেখানে তাঁদের জন্য কোনো কাজ ছিল না। আয় না থাকায় অনেকে নিজের পরিবারেই মর্যাদা আর কথা বলার জায়গা হারিয়ে ফেলতেন।

তাঁদের অনেকের হাতে আগে থেকেই বিক্রিযোগ্য দক্ষতা ছিল, যেমন দর্জির কাজ, সেলাই আর পুঁতির কাজ। অভাব ছিল এমন এক কর্মক্ষেত্রের, যা তাঁদের সাথে মানিয়ে নেয়, আর এমন এক সমাজের, যা তাঁদের রোগী নয়, অবদানকারী হিসেবে দেখতে প্রস্তুত।

মনের কাজ গড়ে উঠেছে এই দুটোই দিতে: এমন একটি পরিবেশ, যেখানে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মানুষ নিজের স্বাস্থ্যের সাথে মানানসই গতিতে শেখেন, তৈরি করেন ও আয় করেন; আর চোখে দেখা যায় এমন সৃজনশীল কাজ, যা পরিবার ও প্রতিবেশীদের দেখার চোখ বদলে দেয়।

“কর্মসংস্থান কেবল আয় নয়। এটি মর্যাদার পথ, সমাজে নিজের জায়গা পাওয়ার পথ, দীর্ঘস্থায়ী সুস্থতার পথ।”

ডা. তানজীর রশিদ সরন, প্রতিষ্ঠাতা

আমাদের পদ্ধতি

একটি সামগ্রিক কার্যক্রম: দক্ষতা থেকে বাজার, বাজার থেকে সামাজিক পরিবর্তন

মনের কাজ এমন এক দীর্ঘদিনের সংকট মোকাবিলা করে, যা বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষকে ছুঁয়ে যায়: গুরুতর মানসিক রোগ (SMI) ও নিউরোডেভেলপমেন্টাল অবস্থা (NDD) নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষদের কাজ আর সমাজজীবন থেকে বাদ পড়া। আমরা সৃজনশীল দক্ষতা উন্নয়ন, স্থানীয় উৎপাদন আর বাজারে প্রবেশাধিকারকে এক সূত্রে গেঁথে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিতে সহায়তা করি, ছয়টি পরস্পর-পরিপূরক উপাদানের মাধ্যমে।

  1. শেখা

    কারুশিল্প, নকশা ও সেবার দক্ষতা, ছোট দলে, প্রত্যেকের নিজের গতিতে শেখানো।

  2. তৈরি

    হাতে তৈরি পণ্য, যাতে থাকে কারিগরের নিজের সংস্কৃতি, গল্প আর নাম।

  3. তুলে ধরা

    পণ্য ও সেবা অনলাইনে, প্রদর্শনীতে আর স্থানীয় বাজারে তুলে ধরা ও বিক্রি করা।

  4. নিজের জায়গা

    আয়, স্বীকৃতি আর অধিকার, যা ঘরে ও সমাজে মানুষটির জায়গা বদলে দেয়।

মনের কাজের কাঠামো মনের ঘর হাবকে ঘিরে ছয়টি পরস্পর-যুক্ত উপাদান: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও স্থানীয় হাব, দক্ষতা থেকে বাজারের পথ, কোর্স ও সৃজনশীল থেরাপি, ফলাফল গবেষণা, স্টিগমা ও সক্ষমতা গবেষণা, এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। মনের ঘর কাজ ও প্রশিক্ষণের হাব ১ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মও স্থানীয় হাব ২ দক্ষতা থেকেবাজারের পথ ৩ কোর্স ওসৃজনশীল থেরাপি ৪ তিন স্তরেফলাফল গবেষণা ৫ স্টিগমা ওসক্ষমতা গবেষণা ৬ সাংস্কৃতিকঐতিহ্য

সংখ্যাগুলো নিচের ছয়টি উপাদানের সাথে মিলিয়ে দেখুন।

  1. অবকাঠামো

    সংযুক্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও স্থানীয় উৎপাদন হাব

    আমরা বিশেষায়িত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে স্থানীয় উৎপাদন হাবের একটি নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করি। হাবগুলোতে থাকে হাতে-কলমে শেখা, পণ্য উন্নয়ন ও সেবা দেওয়ার জায়গা, আর প্ল্যাটফর্মগুলো কারিগরদের পাড়ার বাইরের প্রশিক্ষণ, অর্ডার ও ক্রেতার সাথে যুক্ত করে।

  2. পথ

    দক্ষতা থেকে অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ পর্যন্ত একটি সমন্বিত পথ

    আমরা প্রশিক্ষণকে সরাসরি দক্ষতা কাজে লাগানো, পণ্য তৈরি ও সেবা দেওয়ার সুযোগের সাথে যুক্ত করি। অংশগ্রহণকারীরা অনলাইন ও অফলাইন দুই মাধ্যমেই পণ্য বিক্রি করেন ও সেবা দেন, তাই শেখা সোজা গিয়ে পৌঁছায় বাজারে আর আয়ে।

  3. হস্তক্ষেপ

    সংস্কৃতি ও জীবনের অভিজ্ঞতায় প্রোথিত কোর্স ও হস্তক্ষেপ

    আমরা এমন দক্ষতা-উন্নয়ন কোর্স তৈরি করছি, যা সাংস্কৃতিক প্রকাশকে পণ্য উন্নয়ন এবং অনলাইন ও অফলাইন বিক্রির সাথে যুক্ত করে। পাশাপাশি ক্লিনিক্যাল উন্নতি, মনোসামাজিক বিকাশ ও জীবনমান বাড়াতে কাঠামোবদ্ধ সৃজনশীল-শিল্প হস্তক্ষেপও নকশা করছি।

  4. গবেষণা

    ক্লিনিক্যাল, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ফলাফল নিয়ে গবেষণা

    সৃজনশীল কাজে অংশ নেওয়ার সাথে ক্লিনিক্যাল ফলাফল, সামাজিক অংশগ্রহণ ও অর্থনৈতিক সুস্থতার সম্পর্ক কী, তা আমরা তিনটি স্তরে খতিয়ে দেখি: ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সমাজ।

  5. গবেষণা

    স্টিগমা ও সক্ষমতা নিয়ে ধারণা

    SMI ও NDD নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষদের সক্ষমতা ও কাজের যোগ্যতাকে সমাজ, পরিবার ও নিয়োগকর্তারা কীভাবে দেখেন, আর তাঁদের কাজ চোখে দেখার পর সেই মনোভাব কীভাবে বদলায়, আমরা তা খতিয়ে দেখি।

  6. ঐতিহ্য

    শিল্প ও কারুকাজে স্থানীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা

    নকশি কাঁথা, সেলাই ও পুঁতির কাজসহ সংস্কৃতির সাথে মানানসই শেখা ও সৃজনশীল উৎপাদনের মাধ্যমে আমরা স্থানীয় সৃজনশীল ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করি। অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি আর সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা একসাথে এগোয়।

যেখানে কাজ হয়

মনের ঘর: মনের কাজের হাব

Moner Ghor, মনের জন্য একটি ঘর

আমরা কাজ করি জলবায়ু-সহনশীল, সংস্কৃতিতে প্রোথিত কেন্দ্রের মাধ্যমে, যার নাম মনের ঘর। মানুষকে অনমনীয়, নিউরোটিপিক্যাল করপোরেট পরিবেশে জোর করে মানিয়ে নিতে বাধ্য না করে আমরা "আগে কাজ, সাথে প্রশিক্ষণ" (place-and-train) পদ্ধতিতে সহায়তাপূর্ণ কর্মসংস্থান দিই, সাথে থাকে সৃজনশীল থেরাপি আর সমাজে মিশে যাওয়ার সুযোগ।

  • জলবায়ু-সহনশীলজলবায়ু সহনশীলতা মাথায় রেখে পরিকল্পিত, যাতে চরম আবহাওয়া আর মৌসুমি বিপর্যয়েও কাজ নিরাপদে চলতে পারে। আমাদের জলবায়ু কাজ
  • সংস্কৃতিতে প্রোথিতসমাজের ভেতরেই অবস্থিত, আর স্থানীয় কারুশিল্প, ভাষা ও দৈনন্দিন ছন্দ ঘিরে গড়া।
  • ক্লিনিক্যাল সহায়তাসহমনোরোগ ও মনোবৈজ্ঞানিক সেবার সাথে যুক্ত, নাইহেলথের মাধ্যমে টেলিসাইকিয়াট্রিসহ।
হাবে ডোরাকাটা মাদুরে বসে ছোট ছোট বাটি থেকে মুক্তা আর পুঁতি গাঁথছেন কারিগরেরা
কড়াইল হাবে পুঁতির কাজ ও গয়না তৈরি
মাটিতে বসে মুর্তা বেত চিরে সরু বেতি বানাচ্ছেন এক কারিগর, চারপাশে বেতের আঁটি
শীতল পাটির জন্য মুর্তা বেত চেরা, পাথরাইল চর
পাথরাইল চরে আমগাছের নিচে টিনের ঘরের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন দুজন
পাথরাইল চরের এক বাড়ি, নদীর চরে আমাদের হাব
কাজে ফেরার দুই পথ
প্রচলিত: আগে প্রশিক্ষণ, পরে কাজ মনের কাজ: আগে কাজ, সাথে প্রশিক্ষণ
শুরুটা আসল কাজের আগে দীর্ঘ প্রাক-বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মানুষ হাবে যোগ দেন আর শুরুতেই আসল, পারিশ্রমিকের কাজে হাত দেন
কর্মক্ষেত্র মানুষকেই অনমনীয়, নিউরোটিপিক্যাল পরিবেশে মানিয়ে নিতে হয় কাজ, সময় আর পরিবেশ মানুষের সাথে মানিয়ে নেয়
সহায়তা কাজে বসিয়ে দেওয়ার সাথে সাথেই শেষ কাজের মধ্যেও চলতে থাকে, ক্লিনিক্যাল সেবা আর সৃজনশীল থেরাপিসহ
সমাজ কাজ হয় পরিবার আর প্রতিবেশীদের চোখের আড়ালে পরিবার আর প্রতিবেশীরা কাজটা দেখেন, দেখেন কারিগরের দক্ষতাও
  1. কাজে যুক্ত হওয়া

    বাড়ির কাছের মনের ঘর হাবে যোগ দেওয়া, আর শুরু থেকেই আসল উৎপাদনে হাত লাগানো।

  2. প্রশিক্ষণ

    কাজের মধ্যেই ছোট দলে, প্রত্যেকের স্বাস্থ্যের সাথে মানানসই গতিতে কারুশিল্প ও সেবার দক্ষতা গড়ে তোলা।

  3. সহায়তা

    নিয়মিত ক্লিনিক্যাল সেবা, সৃজনশীল-শিল্প থেরাপি আর সহকর্মীদের সহায়তা, যাতে কঠিন সময়েও কাজ টিকে থাকে।

  4. আয় ও নিজের জায়গা

    অনলাইন ও অফলাইনে পণ্য ও সেবা বিক্রি, ন্যায্য আয়, আর সমাজে সম্মানের জায়গা।

মনের ঘরের গল্প

হাবের ভেতরের ছোট ছোট মুহূর্ত

মনের কাজের হাবে কারিগরদের সঙ্গে কাটানো সময় থেকে লেখা ছয়টি ছোট গল্প। গল্পে কারও নাম ব্যবহার করা হয়নি।

সারি সারি ভাঁজ করে রাখা লাল, বেগুনি আর নীল রঙের নকশি কাঁথা

যে শিশুটির মুখ দেখার অপেক্ষায় তিনি আছেন, তার জন্য একটা কাঁথা কিনতে চান।

কাজের আসরের মাঝখানে ডোরাকাটা মাদুরে ছড়ানো পুঁতির বাটি

ছোট্ট মেয়েটি চুপচাপ বসে দেখছে, মা একটার পর একটা পুঁতি সুতোয় গাঁথছেন।

গাঢ় নীল কাপড়ে সুঁই চালাচ্ছে দুটি হাত, হাঁটুর ওপর মাপার ফিতা

কারিগর হওয়ার একটাই সঠিক পথ বলে কিছু নেই; দিনের শেষে দুজনেই তো কাজটা শেষ করেছিলেন।

কাজের টেবিলে বাঁকা সারিতে মসৃণ পাথরের পুঁতি সাজাচ্ছে দুটি হাত

এমন কিছুই হারায়নি, যা আবার জোড়া লাগানো যায় না।

থাকে থাকে সাজানো স্টিলের টিফিন ক্যারিয়ার, যাতে করে দুপুরের খাবার আনা হয়

একেক দিনের দুপুরের বিরতি একেক রকম। প্রত্যেকের নিজের নিজের অভ্যাস।

ঝিলমিলে পুঁতি আর বড় সাদা মুক্তোর একটি মালা হাতে তুলে ধরা

শুরুতে আমি একটা ট্রেতে ছড়িয়ে থাকা এক মুঠো পুঁতি।

একটি যৌথ শেখার ল্যাব

কারিগর আর পেশাজীবীরা পাশাপাশি শেখেন

মনের কাজ এমন সব বিষয়ের মিলনস্থলও, যারা সচরাচর একসাথে কাজ করে না। চিকিৎসক, গবেষক, থেরাপিস্ট, সমাজবিজ্ঞানী, পরিবেশবিদ, ডিজাইনার ও অ্যাক্টিভিস্টরা কারিগরদের পাশে কাজ করেন, তাঁদের কাছ থেকে শেখেন, আর মিলে সৃজনশীল শিল্পকে মানসিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য স্থানীয় প্রেক্ষাপটে মানানসই হস্তক্ষেপ হিসেবে গড়ে তোলেন।

পাথরাইল চরে নিজের ঘরের দাওয়ায় বসে শীতল পাটি বুনছেন এক কারিগর

অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কারিগরেরা

নিজের জীবন, কারুকাজ আর সমাজের বিশেষজ্ঞ, এবং প্রতিটি হস্তক্ষেপের সহ-নির্মাতা

  • চিকিৎসকসৃজনশীল কাজকে নিরাপদ, পরিমাপযোগ্য ক্লিনিক্যাল হস্তক্ষেপে রূপ দেন
  • থেরাপিস্টসুস্থতা, আবেগ-নিয়ন্ত্রণ আর প্রকাশকে ঘিরে শিল্পভিত্তিক সেশন সাজান
  • গবেষককী কাজ করে, কার জন্য, কত খরচে, তা যাচাইয়ের গবেষণা নকশা করেন
  • সমাজবিজ্ঞানীস্টিগমা, পারিবারিক সম্পর্ক, অধিকার আর সামাজিক পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করেন
  • পরিবেশবিদকারুকাজকে পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু অভিযোজনের সাথে যুক্ত করেন
  • ডিজাইনারভিন্ন ভিন্ন মনের উপযোগী পণ্য, প্ল্যাটফর্ম ও জায়গা মিলে নকশা করেন
  • অ্যাক্টিভিস্টকারিগরদের গল্প অধিকার, অন্তর্ভুক্তি ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে পৌঁছে দেন

সংস্কৃতি, পরিবেশ ও জলবায়ু

জলবায়ু সংকট যে গল্প মুছে দিতে চেয়েছিল, সুঁই-সুতোয় তা ফিরিয়ে আনা

নকশি কাঁথা বরাবরই গল্প বলার শিল্প: নারীরা নিজেদের জীবন কাপড়ে সেলাই করে রাখতেন। মনের কাজে কারিগরেরা এই ঐতিহ্য দিয়েই নিজেদের গল্প বলেন, সেই বন্যা, ঘূর্ণিঝড় আর নদীভাঙনের গল্প, যা ঘরবাড়ি আর জীবিকা ভেঙে দিয়েছে। প্রতিটি কাজ একসাথে একটি পণ্য, একটি দলিল, আর একটি নীরব প্রতিবাদ।

  • সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষানতুন কারিগর আর নতুন বাজারের মাধ্যমে নকশি কাঁথা, সেলাই ও পুঁতির কাজকে বাঁচিয়ে রাখা।
  • পরিবেশ রক্ষাকাজের ধরন আর ব্যবহৃত উপকরণের মাধ্যমে কারিগরেরা কীভাবে নিজেদের নির্ভরতার পরিবেশের যত্ন নিতে পারেন, তা খুঁজে দেখা।
  • কারুকাজে প্রতিবাদজলবায়ু-ক্ষতির অভিজ্ঞতাকে হাতে তৈরি সাক্ষ্যে রূপ দেওয়া, যা ক্রেতা, প্রদর্শনী আর নীতিনির্ধারকেরা দেখতে পান।
আমাদের জলবায়ু কাজ দেখুন
বর্ষার বন্যার পানিতে ডুবে থাকা মাঠ, কচুরিপানার মাঝে বাঁধা ছোট নৌকা
বন্যা
বিস্তীর্ণ খোলা পানির ওপর জমে ওঠা ঘন ঝড়ের মেঘ
ঘূর্ণিঝড়
পানিতে ভেঙে পড়ছে নদীর পাড়, কিনারে দাঁড়িয়ে গাছ
নদীভাঙন

আমাদের পথচলা

কড়াইলের একটি ঘর থেকে একটি সচল হাব

আমরা কোনো তৈরি পরিকল্পনা নিয়ে শুরু করিনি। শুরু করেছিলাম তাঁদের কাছাকাছি থেকে, যাঁদের জন্য এই কাজ, আর প্রতিটি ধাপ গড়েছি তাঁদের কথা শুনে।

  1. কড়াইল, বনানীতে মনের কাজের ফিল্ড অফিসের সাইনবোর্ড
    ধাপ ১

    মানুষ যেখানে থাকেন, সেখানেই হাব

    আমরা প্রথম ফিল্ড অফিস খুলি কড়াইলে, ঢাকার সবচেয়ে বড় অনানুষ্ঠানিক বসতিগুলোর একটিতে, যাতে কাজে আসতে কখনো দূরের বা খরুচে পথ পাড়ি দিতে না হয়।

  2. ফ্রেমে টানটান করা গোলাপি কাপড়ে ফুল সেলাই করছেন এক কারিগর
    ধাপ ২

    গড়ার আগে শোনা

    কিছু নকশা করার আগে আমরা ভবিষ্যৎ কারিগর আর তাঁদের পরিবারের সাথে বসেছি। কোন সময়টা তাঁদের সুবিধার? কোন কাজ তাঁরা আগে থেকেই জানেন? কোন জিনিস একটা দিনকে কঠিন করে তোলে? আমাদের অনুমান নয়, তাঁদের উত্তরই ঠিক করেছে নকশা।

  3. মাদুরে পুঁতির বাক্স নিয়ে পুঁতির কাজ শিখছেন এক কারিগর
    ধাপ ৩

    কারিগরদের মাপে গড়া প্রশিক্ষণ

    সেই আলাপ থেকেই তৈরি হলো আমাদের প্রশিক্ষণের ধরন: ছোট দলে, নিজের গতিতে শেখা, আর কঠিন দিনগুলোতে পাশে সবসময় সহায়তা।

  4. কাঠের তাঁতে শাড়ি বুনছেন এক তাঁতি
    ধাপ ৪

    পাশাপাশি বসে শেখা

    কারিগরেরা প্রশিক্ষকের কাছে আর একে অপরের কাছে শিখেছেন পুঁতির কাজ, গয়না তৈরি আর সেলাই। দক্ষতার সাথে সাথে বেড়েছে আত্মবিশ্বাসও।

  5. নিজেদের তৈরি মালা হাতে ঢাকা হাবের সামনে কারিগরেরা
    ধাপ ৫

    সত্যিকারের পণ্য, ন্যায্য পারিশ্রমিক

    প্রস্তুত হওয়ার পর প্রত্যেক কারিগর নিজের অর্ডার নিলেন। প্রথম মালা, চুড়ি আর সেলাইয়ের কাজ বিক্রি শুরু হলো, আর প্রত্যেক কারিগর নিজের তৈরি কাজের পারিশ্রমিক পেলেন।

১৪ এপ্রিল ২০২৬, পহেলা বৈশাখ

বাংলা নববর্ষে সবার জন্য উন্মুক্ত

বাংলা বছরের প্রথম দিনে আমরা মনের কাজ সবার জন্য খুলে দিই। ঘরজুড়ে ছিল কারিগরদের নকশি কাঁথা, শাড়ি আর গয়না।

সারা দেশ থেকে বিশিষ্ট মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীরা এসেছিলেন। তাঁরা কারিগরদের সাথে দেখা করেছেন, মন দিয়ে তাঁদের কাজ দেখেছেন, আর আলোচনা করেছেন এই মডেল কীভাবে অন্য জনপদেও ছড়িয়ে দেওয়া যায়।

পহেলা বৈশাখে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও মনের কাজের দল কারিগরদের তৈরি নকশি কাঁথা ও শাড়ি দেখছেন এক অতিথি মনের কাজের উদ্বোধনে কেক কাটা

যা আমাদের পথ দেখায়

যে সাতটি অঙ্গীকার আমরা মেনে চলি

পাথরাইল চরের এক উঠানে তৈরি শীতল পাটি মেলে দিচ্ছেন দুজন কারিগর
তৈরি শীতল পাটি, পাথরাইল চর
  1. সবার আগে মর্যাদা

    প্রত্যেক কারিগর একজন কর্মী ও অবদানকারী, কখনোই একটি "কেস" নন। আমরা মানুষকে নাম ধরে চিনি, রোগনির্ণয় ধরে নয়।

  2. দয়া নয়, অধিকার

    কাজ, আয়, নিরাপত্তা আর নিজের কথা বলার সুযোগ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও নিউরোডাইভার্জেন্ট মানুষদের মানবাধিকার, কোনো অনুগ্রহ নয়।

  3. যৌথ নকশা

    কাজের সময় থেকে পণ্যের ধরন, প্রতিটি সিদ্ধান্তে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মানুষের হাত থাকে। তাঁদের ছাড়া তাঁদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয় না।

  4. কাজ মানিয়ে নেয়

    আমরা কাজ, সময় আর পরিবেশ মানুষের মাপে সাজাই, যাতে ভিন্ন ভিন্ন মন নিজের মতো করে ভালো করতে পারে।

  5. সংস্কৃতিই শক্তি

    মানুষ যে কারুকাজ, গল্প আর ঐতিহ্য আগে থেকেই বহন করেন, আমরা তার ওপরই গড়ি, আর বাজারে সেগুলোকে সম্পদ হিসেবে দেখি।

  6. ন্যায্য ও স্বচ্ছ পারিশ্রমিক

    প্রতিটি কাজে কত আয় হয়, কারিগরেরা তা জানেন, আর নিজের তৈরি কাজের পারিশ্রমিক পান।

  7. প্রমাণ ও জবাবদিহি

    মানুষের জীবনে কী বদলায়, আমরা তা মাপি, আর যা শিখি তা প্রকাশ করি, যা কাজ করে না তা-ও।

গবেষণার এজেন্ডা

যে ছয়টি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই মনের কাজ

প্রতিটি হাব একটি জীবন্ত গবেষণাগারও। কার্যক্রম গড়ার সাথে সাথেই আমরা তা নিয়ে গবেষণা করি, যাতে কড়াইলে যা শিখি, তা অন্য জায়গার ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য কাজের ধরন ও নীতি গড়তে কাজে লাগে।

  1. ক্লিনিক্যাল

    সৃজনশীল শিল্প কি চিকিৎসা হয়ে উঠতে পারে?

    স্থানীয় প্রেক্ষাপটে মিলে গড়া সৃজনশীল-শিল্প হস্তক্ষেপ কীভাবে SMI ও NDD নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষদের ক্লিনিক্যাল ফলাফল, মনোসামাজিক কর্মক্ষমতা ও জীবনমান উন্নত করতে পারে?

  2. ঐতিহ্য ও পরিবেশ

    কারিগরেরা কি উত্তরাধিকার রক্ষা করতে পারেন?

    অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কারিগরেরা কীভাবে নিজেদের কারুকাজ দিয়ে পরিবেশ রক্ষা আর স্থানীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করতে পারেন?

  3. জলবায়ু

    কারুকাজ কি জলবায়ু প্রতিবাদ হতে পারে?

    জলবায়ু দুর্যোগের ব্যক্তিগত গল্প তুলে ধরা হস্তশিল্প কীভাবে জলবায়ু ন্যায়বিচারের পক্ষে সাক্ষ্য, প্রচারণা ও প্রতিবাদ হয়ে উঠতে পারে?

  4. অর্থনীতি

    এটি কি আর্থিকভাবে টেকসই হতে পারে?

    অতিদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী, যাঁদের অনেকের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সীমিত বা বোধগত সমস্যা আছে, তাঁদের নিয়ে গড়া উদ্যোগ কি নিজের খরচ নিজে চালাতে পারে? আর একজন মানুষকে টেকসই কাজে রাখতে খরচ কত?

  5. অধিকার ও স্টিগমা

    কাজ দেখলে কি মন বদলায়?

    গুরুতর মানসিক রোগ ও নিউরোডাইভার্জেন্স নিয়ে সমাজের ধারণা কীভাবে বদলায়, আর তাতে কর্মসংস্থান, মানবাধিকার ও মর্যাদায় কী পরিবর্তন আসে?

  6. এআই ও ঝুঁকি

    যাঁদের শোষণ করতে পারে, এআই কীভাবে তাঁদের কাজে আসবে?

    সীমিত শিক্ষা বা বোধগত সক্ষমতার মানুষ কীভাবে এআই টুল ব্যবহার করেন, কোথায় তাঁরা শোষণ বা ক্ষতিকর প্রভাবের ঝুঁকিতে পড়েন, আর কোন সুরক্ষা তাঁদের রক্ষা করে?

তিন স্তরে পরিমাপ

আমরা প্রত্যেক মানুষের, প্রতিষ্ঠানের আর বৃহত্তর সমাজের ক্লিনিক্যাল, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন খেয়াল রাখি।

সমাজ প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি
ব্যক্তি
  • টেকসই পারিশ্রমিকের কাজ ও আয়ের পরিবর্তন
  • উপসর্গের স্থিতি, রোগ ফিরে আসা ও জীবনমান
  • দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক অংশগ্রহণ
প্রতিষ্ঠান
  • টেকসই কাজে থাকা প্রতি অংশগ্রহণকারীর খরচ
  • পণ্যের মান, বিক্রি ও বাজারে পৌঁছানো
  • হাবের কোন চর্চা মানুষকে কাজে ধরে রাখে
সমাজ
  • সক্ষমতা নিয়ে পরিবার ও প্রতিবেশীর মনোভাব
  • নিয়োগকর্তা ও ক্রেতার যুক্ত হওয়ার আগ্রহ
  • স্থানীয় কারুশিল্প ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা
১২-তে ৬

আমাদের প্রধান ফলাফল: অংশগ্রহণকারীদের কত অংশ প্রতি বারো মাসের অন্তত ছয় মাস নিজের কাজ থেকে আয় করছেন। সব গবেষণা হয় অবহিত সম্মতি ও যথাযথ নৈতিক পর্যালোচনার মাধ্যমে। আরও জানতে দেখুন আমাদের গবেষণা পাতা।


আমাদের দল

চিকিৎসক, প্রযুক্তিবিদ আর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মানুষ

ডা. তানজীর রশিদ সরনের প্রতিকৃতি

ডা. তানজীর রশিদ সরন

প্রতিষ্ঠাতা

বাংলাদেশে ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে চর্চারত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, ডিজিটাল স্বাস্থ্য গবেষক ও ইমপ্লিমেন্টেশন বিজ্ঞানী। টেলিসাইকিয়াট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক (TRIN) ও নাইহেলথের প্রতিষ্ঠাতা, এবং ই-মেন্টাল হেলথে কমনওয়েলথ স্কলার।

  • মনোরোগ চিকিৎসা

    ক্লিনিক্যাল তত্ত্বাবধান ও সেবা পরিকল্পনা

  • ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি

    থেরাপি ও প্রতিদিনের সহায়তা

  • জনস্বাস্থ্য

    সমাজে সম্পৃক্ততা ও মূল্যায়ন

  • প্রযুক্তি

    ডিজিটাল টুল, প্রশিক্ষণ ও অনলাইন শপ

  • প্রধান কারুশিল্প প্রশিক্ষক

    নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে গয়না তৈরি ও নানা হাতের কাজ শেখান

বনের ছবির ওপর নাইহেলথের লোগো, লেখা: ইন্টেলিজেন্ট হেলথকেয়ারের সাথে প্রকৃতি ঘুরে দেখুন

প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা

পরিচালনায় নাইহেলথ লিমিটেড

মনের কাজ নাইহেলথ লিমিটেডের একটি সহপ্রতিষ্ঠান। নাইহেলথ বাংলাদেশের একটি স্বাস্থ্য-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, যারা মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও ভালো ও সহজলভ্য করতে কাজ করে। দায়িত্বশীলভাবে চলা আর দীর্ঘদিন টিকে থাকার জন্য দরকারি ক্লিনিক্যাল, প্রযুক্তিগত ও পরিচালনাগত ভিত্তি মনের কাজ পায় নাইহেলথ থেকে।

  • ক্লিনিক্যাল তত্ত্বাবধান ও টেলিসাইকিয়াট্রি সেবা
  • ডিজিটাল প্রশিক্ষণ টুল ও ই-কমার্স অবকাঠামো
  • গবেষণা ও মূল্যায়নের সক্ষমতা

যুক্ত হন

প্রতিটি মনের উপযোগী কর্মক্ষেত্র গড়তে আমাদের পাশে থাকুন

বাজার, ক্লিনিক, বিশ্ববিদ্যালয়, ডিজাইন স্টুডিও আর নানা আন্দোলনের সাথে অংশীদারির মধ্য দিয়েই মনের কাজ বেড়ে ওঠে।

ক্রেতা ও নিয়োগকর্তা

খুচরা বিক্রি, উপহার বা করপোরেট অর্ডারের জন্য হাতে তৈরি পণ্য নিন, অথবা আপনার কর্মক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ তৈরি করুন।

অর্ডার নিয়ে কথা বলুন

পেশাজীবী ও গবেষক

চিকিৎসক, থেরাপিস্ট, সমাজবিজ্ঞানী, পরিবেশবিদ, ডিজাইনার ও অ্যাক্টিভিস্ট: শেখার ল্যাবে যোগ দিন, কারিগরদের সাথে মিলে হস্তক্ষেপ গড়ে তুলুন।

শেখার ল্যাবে যোগ দিন

অর্থায়নকারী ও অংশীদার

নতুন মনের ঘর হাব, গবেষণা আর জলবায়ুর গল্প বলায় সহায়তা করুন, আর অন্তর্ভুক্তির একটি টেকসই মডেল প্রমাণে সাহায্য করুন।

আলাপ শুরু করুন

স্বেচ্ছাসেবী ও পরিবার

প্রশিক্ষক বা মেন্টর হিসেবে সময় দিন, অথবা জেনে নিন পরিবারের কেউ কীভাবে হাবে যোগ দিতে পারেন।

মনের কাজে যোগ দিন